This site is not for UNDER 18 people. If you are not over 18, then please donot look forward. Disclaimer: Some content of this blog are also collected from various site.
Friday, November 23, 2012
পুরুষত্বহীনতার শারীরিক ও মানসিক কারণসূমহ | পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রোগ নির্ণয়ঃ
পুরুষত্বহীনতার শারীরিক কারণ : এক সময়চিকিৎসকরা ধারণা করতেন পুরুষত্বহীনতার প্রাথমিক কারণ হলো মানসিক। কিন্তু তা সত্য নয়। যদিও লিঙ্গোথানের ক্ষেত্রে চিন্তা ও আবেগ সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে কিছু শারীরিক ব্যাপার যেমন দীর্ঘস্খায়ী স্বাস্খ্যসমস্যা কিংবা কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত পুরুষত্বহীনতা ঘটায়।পুরুষত্বহীনতার সাধারণ কারণগুলো : হৃদরোগ, রক্তনালীতে প্রতিবìধকতা হলে (অ্যাথেরোসক্লেরোসিস), উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্খূলতা এবং বিপাক প্রক্রিয়ায় সমস্যা।
পুরুষত্বহীনতার অন্য কারণগুলো : কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণ, তামাকের ব্যবহার, মদ্যপান ও মাদক সেবন, প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা, পারকিনসন’স রোগ, মাল্টিপল স্কেõরোসিস,হরমোনজনিত অস্বাভাবিকতা যেমন টেসটোসটেরনের মাত্রা কমে যাওয়া (হাইপোগোনাডিজম), পেরোনি’জ রোগ, তলপেটেকিংবা স্পাইনাল কর্ডে অপারেশন বা আঘাত।
কিছু ক্ষেত্রে পুরুষত্বহীনতাকে গুরুতর স্বাস্খ্য সমস্যার এক নম্বর চিহ্ন হিসেবে দেখা হয়।
পুরুষত্বহীনতার মানসিক কারণগুলো
যেসব শারীরিক বিষয়গুলো পুরুষাঙ্গের উথান ঘটায় সেসব বিষয়কে উজ্জীবিত করতে মস্তিষ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে রয়েছে যৌন উত্তেজনার অনুভূতি থেকে শুরু করে লিঙ্গোথান। বেশ কিছু বিষয় যৌন অনুভূতিতে বাধা দিতে পারে এবং এর ফলেপুরুষত্বহীনতা ঘটতে পারে। এসব বিষয়েরমধ্যে রয়েছে বিষণíতা, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, অবসাদ ও যৌন সঙ্গিনীর সাথে দূরত্ব কিংবা দ্বন্দ্ব।
পুরুষত্বহীনতার শারীরিক ও মানসিক কারণগুলো পরস্পরের ওপর প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, সামান্য শারীরিক সমস্যা যা যৌন উত্তেজনাকে কমিয়ে দেয়, সেটা মানসিক দুশ্চিন্তা ঘটাতে পারে। আর দুশ্চিন্তার সাথে লিঙ্গোথানের সম্পর্ক রয়েছে। দুশ্চিন্তা মারাত্মক পুরুষত্বহীনতা ঘটাতে পারে।
ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো
বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় পুরুষত্বহীনতা ঘটাতে পারে। এসবের মধ্যে রয়েছে :
বুড়িয়ে যাওয়া : ৭৫ বছর ও তার বেশি বয়সীপুরুষের শতকরা ৮০ ভাগেরই পুরুষত্বহীনতা ঘটে। অনেক পুরুষেরই বয়স বাড়ার সাথে সাথে তাদের যৌন কাজে পরিবর্তন শুরু হয়। লিঙ্গ উথান হতে অনেক সময় নিতে পারে, লিঙ্গ তেমন শক্ত নাও হতে পারে কিংবা অনেকক্ষণ ধরে লিঙ্গ স্পর্শ করার পর শক্ত হতে পারে। তবে পুরুষত্বহীনতা স্বাভাবিক বয়স বাড়ার অনিবার্য পরিণতি নয়। পুরুষত্বহীনতা সচরাচর বৃদ্ধ পুরুষদের দেখা দেয়। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের স্বাস্খ্যের অবনতি ঘটে কিংবা তারা এমন সব ওষুধ খান যেসব ওষুধ লিঙ্গের উথানে বাধা দেয়।
দীর্ঘস্খায়ী স্বাস্খ্যের অবনতি : ফুসফুস, লিভার, কিডনি, হৃৎপিণ্ড, নার্ভ,ধমনী বা শিরার অসুখগুলো পুরুষত্বহীনতা ঘটাতে পারে। একইভাবে এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের অস্বাভাবিকতা, বিশেষ করে ডায়াবেটিস পুরুষত্বহীনতা ঘটাতে পারে। আপনার ধমনীগুলোতে প্ল্যাক জমলে (অ্যাথেরোস্কেõরোসিস) তা আপনার লিঙ্গে পর্যাপ্ত রক্ত প্রবেশে বাধা প্রদান করতে পারে। কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে, স্বল্প মাত্রার টেস্টোসটেরন পুরুষত্বহীনতা ঘটাতে পারে।
কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ সেবন : কিছু ওষুধযেমন অ্যান্টি ডিপ্রেসান্ট, অ্যান্টিহিস্টামিন এবং উচ্চরক্তচাপ, ব্যথা ও প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো পুরুষাঙ্গের রক্ত প্রবাহে কিংবা স্নায়ুর উদ্দীপনায় বাধা প্রদান করে পুরুষত্বহীনতা ঘটাতে পারে।
ট্রাংকুলাইজার এবং ঘুমের ওষুধও একই সমস্যা ঘটাতে পারে।
মাদক সেবন : অ্যালকোহল, মারিজুয়ানা কিংবা অন্যান্য মাদকের অপব্যবহার সচরাচর পুরুষত্বহীনতা ঘটাতে পারে এবংযৌন ইচ্ছা কমিয়ে দিতে পারে।
মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা বা বিষণíতা : মানসিক এ অবস্খাগুলো কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুরষত্বহীনতা ঘটায়।
ধূমপান : ধূমপান পুরুষত্বহীনতা ঘটাতে পারে। কারণ এটা শিরা ও ধমনীতে রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দেয়। যেসব পুরুষ বেশি ধূমপান করেন তাদের পুরুষত্বহীনতা ঘটার আশঙ্কা অনেক বেশি।
স্খূলতা : যেসব পুরুষ অতিরিক্ত মোটা, তারা স্বাভাবিক ওজনের পুরুষদের তুলনায় পুরুষত্বহীনতায় বেশি ভোগেন।
মেটাবলিক সিনড্রোম : এই সিনড্রোমের মধ্যে রয়েছে পেটে চর্বি জমা, অস্বাস্খ্যকর কোলেস্টেরল ও ট্রাই গ্লিসারাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ এবং ইনসুলিন রেজিট্যান্স।
দীর্ঘ সময় বাইসাইকেল চালানো : দীর্ঘ সময় বাই সাইকেল চালালে সাইকেলের সিট থেকে নার্ভের ওপর চাপ পড়ে এবং লিঙ্গেররক্ত চলাচলের ওপরও চাপ পড়ে। ফলে সাময়িক পুরুষত্বহীনতা ও লিঙ্গে অসাড়তা দেখা দেয়।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন
যদি পুরুষত্বহীনতা সাময়িক বা স্বল্পমেয়াদি সমস্যার চেয়ে বেশি হয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতেহবে। চিকিৎসক আপনার পুরুষত্বহীনতার সঠিক কারণ নির্ণয় করে আপনার যথাযথ চিকিৎসা প্রদান করবেন।
যদিও পুরুষত্বহীনতা আপনার একান্ত ব্যক্তিগত বা লজ্জাকর সমস্যা মনে হতে পারে। কিন্তু এটার চিকিৎসা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রোগ নির্ণয়
আপনার চিকিৎসক আপনাকে প্রশ্ন করতে পারেন কবে এবং কখন থেকে আপনার উপসর্গ দেখা দিয়েছে। আপনি কী কী ওষুধ গ্রহণ করেছেন এবং আপনার অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা আছে কি না। আপনার চিকিৎসক আপনার সাম্প্রতিক শারীরিক বা অবেগজনিত পরিবর্তন নিয়েও কথা বলতে পারেন।
যদি আপনার চিকিৎসকের সন্দেহ হয় যে আপনার শারীরিক সমস্যা রয়েছে। তাহলে তিনি আপনার পুরুষ হরমোনের মাত্রা দেখার জন্য রক্ত পরীক্ষা করতে পারেন। এ ছাড়া ডায়াবেটিস আছে কি না তা-ও দেখতে পারেন।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে
ক্স আল্ট্রাসাউন্ড : এ ক্ষেত্রে আপনারলিঙ্গের রক্তপ্রবাহ ঠিক আছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখা হয়।
ক্স নিউরোলজিক্যাল ইভালুয়েশন : এ ক্ষেত্রে শারীরিক পরীক্ষা করে দেখা হয় আপনার জননাঙ্গের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না।
ক্স ডাইনামিক ইনফিউশন কেভারনোসোমেট্রি অ্যান্ড কেভারনোসোগ্রাফি (ডিআইসিসি)।
ক্স নকচারনাল টুমেসেন্স টেস্ট।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment